টিনটিন
মানুষ হিসেবে তেমন আহামরি কেউ নই আমি। সাটামাটা জীবনটাই বেশী ভালো লাগে। আবার মাঝে মাঝে একটু আউলা হতে মন চায়। ভালো লাগে নিজেকে টিনটিন ভাবতে .... তার মত দুঃসাহসী হতে মন চায় ..... কিন্তু ব্যক্তি জীবনে অনেকটা ভীতুই বটে ..... অনেক কিছুই হাতছাড়া হয়ে গেছে জীবনে এই কারনে ..... আবার অনেক বড় বড় পাওয়া ও আছে ....টেকটিউনস ফ্যামিলির একজন হওয়া সেই বড় পাওয়ার একটি। স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ন আবার সত্যি হলে হুশ জ্ঞান থাকেনা। যেমনটি হয়েছিল ছেলেবেলায় চিত্রাঙ্কন প্রোতিজোগীতায় জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর। ভালো লাগে আড্ডা দিতে, হোক না সেটা অনলাইন অথবা রিয়েল লাইফ! সবসময় অপেক্ষায় থাকি সম্ভাবনাময় আগামীর ......... sohanboy_13@yahoo.com

280 স্লাইডস ( বেটা ) - সহজে অনলাইনে প্রেজেন্টেশান তৈরী

প্রেজেন্টেশান কথাটা শুনলেই আমার চোখেমুখে একধরনের বিরক্তির ছাপ ফুটে উঠত। এখন আর ব্যাপারটা ততটা খারাপ লাগে না। প্রেজেন্টেশান ব্যাপারটার গুরুত্ব কতখানি তা আর নতুন করে বলার কোন দরকার নেই। যে কোন সন্মেলন এবং অনুষ্ঠানে আজকাল প্রেজেন্টেশান ব্যবহার করা হয়। যাতে করে অনুষ্ঠান অথবা তাদের কর্মকান্ডের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাধারন মানুষের কাছে পরিস্কার হয়ে উঠে।

এইটুকু ছিল সাধারন পরিচয়। আমাদের শিক্ষার্থী ভাই বোনেরা, বিশেষ করে ব্যবসা অনুষদের শিক্ষার্থীদরে কাছে প্রেজেন্টেশানের গুরুত্বটা একটু বেশী ই বটে। তাদের মত এত ঘন ঘন কেউই প্রেজেন্টেশানের মুখোমুখি হয়না। সবাই যার যার স্পীচ নিয়ে চিন্তা করতে করতে প্রেজেন্টেশান রেডী করার সময় আর করতে পারে না। মূল প্রজেন্টেশানের স্লাইড তৈরী করা হয় প্রোজেন্টেশানের দিন সকালে! তখন সেই জিনিস আবার সবার মন মত হয়ও না।

কিন্তু এই প্রেজেন্টেশান এর দায়ীত্বে যদি দুইজনকে রাখা হয় এবং তারা যদি নিয়মিত কয়েকদিন তাদের ডিজাইন শেয়ার করতে পারে তাহলে কিন্তু একটা ভালো আউটপুট পাওয়া সম্ভব।

আমরা অনেকেই প্রেজেন্টেশান শুনলেই মনে করি পাওয়ার পয়েন্টের কোন কাজ হবে হয়ত। যদিও আরো অনেক ভালো ভালো টুল আছে প্রেজেন্টেশানের জন্যে। ২৮০ স্লাইডস (বেটা) এই প্রেজেন্টেশানের ঝামেলা থেকে আমাদের একটু হলেও হালকা হওয়ার সূযোগ দিবে বলে আমার ধারনা। অনলাইনে প্রজেন্টেশানটা রেডী করে সাথে সাথে তা পার্টনারের সাথে শেয়ার ও করতে পারবে।

280 280 স্লাইডস ( বেটা ) - সহজে অনলাইনে প্রেজেন্টেশান তৈরী

এর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আরো সহজ এবং আরো অনেক নতুন ফিচারের সাহায্যে প্রেজেন্টেশান তৈরী করার সাথে সাথে তা শেয়ার ও করতে পারবেন।

এর বর্তমান ফিচাগুলো একটু হাইলাইট করা হল

  • ১. আপনার পাওয়ারপয়েন্টে তৈরী করা প্রেজেন্টেশান আপনি চাইলে আপলোড করে ২৮০ স্লাইডস দিয়ে এডিটিং করতে পারবেন। এবং তা যে কোন সময় যে কোন প্লাটফর্ম থেকে ব্যাকআপ নিতে পারবেন।
  • ২. এর বিল্টইন মিডিয়া সার্চের সাহায্যে আপনি সহজেই ফ্লিকার এবং পিকাসার মত সাইট থেকে কোয়ারিটি ফটো আপনার প্রেজেন্টেশানে এ্যাড ও করতে পারবেন।
  • ৩.এর প্রফেশনাল কোয়ালিটির বিল্টইন থিম আপনাকে কাজ করার আরো স্পেস দেবে।
  • ৪. টেকটিউনসের এডিটরের মতই এর ও আছে অটো সেভিং এবং ব্যাকআপ অপশন।
  • ৫. প্রেজেন্টেশান রেডী করে আপনি তা আপনার পছন্দের পাওয়ারপয়েন্ট ফরম্যাটেও ব্যাকআপ করতে পারবেন। আপনি চাইলে পাওয়ারপয়েন্টের ২০০৭ এর ফরম্যাটেও ব্যাকইপ করতে পারবেন।
  • ৬. আপনার এই প্রজেন্টেশানটি আপনি সহজেই স্লাইডশেয়ার এর সাইটে রাখুন এবং আপনার বন্ধুকে একটি মেইল করে দিলেই কাজ শেষ। শেয়ারিং এর ল্যাঠা চুকে যাবে। এবং ওয়েবে ও পাবলিশ করা হয়ে যাবে।
  • ৭.  সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এটি ব্রাউজারেই কাজ করে তাই ডাউনলোড এবং ইন্সটলের ঝামেলা নেই।

নতুন নতুন এ্যাড হওয়া ফিচার এর ব্যাপারে জানতে চাইলে আপনি 280 স্লাইডের মূল সাইটের ব্লগ অপশনে ঢু মেরে দেখতে পারেন………….

ENJOY……………………



১ টি মাত্র মন্তব্য করা হয়েছে

  1. শাহজালাল

    খুবই কাজের। এটা গুগলেরটার চেয়ে ভাল।

আপনার মন্তব্য দিন