আপনারা নিশ্চয় অনেকেই এতোদিনে শিরিনের ‘মতওয়ালী’ গানটি শুনেছেন এবং ইউটিউবে ভিডিও দেখেছেন? সেইসাথে এও নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন যে সম্পুর্ণ ভিডিওতে কেবলমাত্র লাল রঙ আছে, বাকিটা সাদা কালোতে। কখনোও কি এমন ভিডিও বানানোর শখ জাগেনি মনে? ফটোশপ দিয়ে অনেকেই একটি রঙ রেখে বাকি ছবি সাদা কালো করেছেন, ভিডিওতে চেষ্টা করে দেখেছেন কি?
খুব সহজেই এটা করা যায়। দুটি সফটওয়্যার আছে যা দিয়ে অনায়াসে করা যাবে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে Sony Vegas (Pro কিম্বা Platinum edition নয়, সাদামাটা Sony Vegas চাই এর জন্য), নয়তো Pinnacle Studio 10 অথবা Studio 12 দিয়ে সবচেয়ে সহজে হয়ে যাবে। হাতের কাছে আপাতত যে ভিডিও আছে তাই দিয়েই পরীক্ষা চালাতে পারেন, তবে তাতে আশানুরূপ ফল নাও পেতে পারেন। ধরুন ওই ভিডিওতে লাল রঙ রেখেছে, এই ধরনের ভিডিও করার মূল ট্রিক হচ্ছে ভিডিও চিত্র তোলার সময়ে এমন ভাবে বিষয়বস্তুর রঙ বেছে নিতে হবে যাতে মূল সাবজেক্ট ছাড়া অন্য কোনো বস্তু কিম্বা মানুষের সেই রঙের পোশাক না থাকে। এতে সুবিধা এটাই যে ভিডিওটি খুব সুন্দর দেখাবে এবং অন্য কোথাও সেই রঙ আসবেনা শুধুই সাবজেক্টের উপরেই তা থাকবে। শিরিনের ভিডিওতে মাঝে মাঝে অন্য বস্তুতে আর অন্য মানুষের লাল রঙের পোশাক দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি দৃশ্যে দেওয়ালের রঙ লাল ছিল বলে সেখানেও লাল রঙ এসে গেছে। লাল রঙ রাখতে চাইলে যেন অন্য কিছুতে লালের কোনো শেড না থাকে যেমন গোলাপি কিম্বা মেরুন রঙ থাকলেও ভিডিও সুন্দর আসবেনা।
টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে এই এক রঙের ভিডিও প্রথমে এনেছিল Nescafe, তাদের লাল রঙের কাপ দেখিয়েছিল এবং বাকি ভিডিও সাদা কালোতে। তারা স্টুডিওতে এমন ভাবেই সব রঙ বেছে নিয়েছিল যাতে শুধুই কাপের রঙ লাল থাকে, বাকি মডেলদের পোশাক সাদা রাখা হয়েছিল, ঘরের অন্যান্য অংশ ও দেওয়ালের রঙও সাদাই আলাদা ছিল। ফলে তাদের ভিডিওটি একেবারেই পারফেক্ট হয়েছিল বলা যেতে পারে।
সহজ পদ্ধতিটাই বলি, কম্প্যুটারে Pinnacle Studio 12 থাকতে হবে, সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্লাগিন যার নাম ‘One Color’, এটা দিয়েই আসল কাজটি করা হয়। স্টোরিবোর্ডে ভিডিও ক্লিপ টেনে এনে ওই প্লাগিন সেটিংসে যাবেন, সেখানে প্রথমেই স্যাচুরেশান স্লাইডবার টেনে একেবারে জিরো করে দেবেন। এতে সব রঙ চলে যাবে। এর পরে নিজের পছন্দের রঙ (লাল/নীল/সবুজ কালার বার আছে) স্লাইডার টেনে স্যাচুরেশান সেট করে নেবেন। প্রিভিউ দেখতে পারবেন, সেইমতো রঙ বাড়াতে/কমাতে পারবেন। লাল/নীল/সবুজ ছাড়া অন্য রঙ রাখতে হলে এই তিনটি রঙের কম্বিনেশান দিয়েই করে নিতে হবে।
*** One Color প্লাগিন সাধারনত পাবেন সফটওয়্যারের সাথে পাওয়া Content DVD’তে। যদি অরিজিনাল সফটওয়্যার নাহয় তাহলে এই DVD আলাদা কিনতে হবে, স্টুডিও ১২ সফটওয়্যার কেনার সময়েই এটাও নিয়ে নেবেন। এই DVD’তে আছে প্রচুর হলিউড এফেক্টস যা দিয়ে ভিডিও ট্র্যানসিশান এবং অন্যান্য স্পেশাল এফেক্টগুলি দেওয়া হয়, টাইটেলিং করা হয়। স্টুডিও ১২ সফটওয়্যারের কথাই এখানে বললাম কারন এতে বাংলাতেও টাইটেলিং করতে পারবেন, SolaimanLipi font সাপোর্ট করে এতে। যারা হাই ডেফিনিশান ভিডিওতে কাজ করবেন, তারা Studio HD নেবেন।
সব মনের মতো হয়ে গেলে প্রথমেই Mpeg2 ফরম্যাটে রেন্ডার করবেন। যারা HD video করতে চান তারাও আগে এটাই করবেন, কারন HD রেন্ডার হতে সময় নেয় অনেক, পরে আশানুরূপ ফল না পেলে আবার করতে হবে তখন বিরক্ত লাগতে পারে। Mpeg ফরম্যাটে মনের মতো ফলাফলে পেয়ে গেলে তারপরে HD’তে রেন্ডার করে নেবেন। (যার কম্প্যুটারের প্রসেসর স্পিড যতোই হোক, RAM যতোই হোক, HD Video রেন্ডারের সময়ে অন্য কোন কাজই করবেন না কম্প্যুটারে)


আপনি খুব দক্ষতার সাথে লেখেন
ধন্যবাদ Uncle
রিয়া চালিয়ে যান। মেয়েদে মধ্যে আপনিই টেকি হিসেবে এসেছেন। মনেহয় আমিই কোন মেয়ে মানুষ প্রথম টেকটিউনস এ লিখি এবং মন্তব্য করি। তার পর পেলাম বিপাশাকে, এখন আপনাকে। সত্যি খুব ভাল লাগছে। ধন্যবাদ।
আমি একেবারেই টেকি না! যখন কিছুই জানতাম না সেইসব দিনের অনুভূতিটা মনে আছে, আর আজ অল্প যা জানি, তাতে সেই না জানার দিনগুলির দুঃখ ভুলে যাইনি, তাই লিখি যারা আমার মতো অবস্থায় আছেন এবং জানতে চান, তাদের জানার জন্য।
মেয়েদের নাম থাকলেই যে সবাই মেয়ে হবে… তা কিন্তু নয়।অনেক ছেলেও মেয়েদের নাম ব্যবহার করতে পারে।।একটু খাতির পাবার আশায়……
আমি আপনার সাথে সম্পুর্ণ একমত।
Pinnacle Studio 10-এর ডাউনলোড লিংক টা দিলে ভালো হতো…..
সুন্দর একটা টিউন করার জন্য ধন্যবাদ…
এই সফটওয়্যার এবং কন্টেন্ট ডিভিডি দুটো মিলিয়ে প্রায় 5GB সাইজ!
@ শুভ
আশেপাশের দোকান থেকে ৬০ টাকায় ডিভিডি কিনলেই হয়। আমিও এটা ব্যবহার করি।পেন্টিয়াম ৪ হলে কিন্তু পিসি খুব ধীর গতি হবে….
মজা লেগেছে । খুব ভাল
simply AWESOME!
রিয়া টিনটিন ভাইয়ের সাথে আমিও একমত ব্যাপারটা awesome কিন্তু পাশাপাশি অনেক ঝামেলারও (বোধহয় অনভিজ্ঞ বলে)। কাজে লাগবে।
@রোমান: আমিও অনভিজ্ঞ ছিলাম একদিন, শুরু করে দিন, সহজ হয়ে যাবে। এই জাতীয় এফেক্ট বেশি ব্যাবহার হয়না, কিন্তু নিজের এডিট করা ভিডিওতে কয়েক সেকেন্ডের এই এফেক্ট দিয়ে অনেক বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনকে চমকে দিতে পারবেন। সকলের ভালও লাগবে খুব।
স্টুডিও ১২ এর লিংকটা দিলে ভালো হত
আমাকে প্লিজ কেউ পাইরেটেড সফটওয়্যারের লিঙ্ক দেওয়ার জন্য অনুরোধ করবেন না
আমিও অন্যান্য অনেকের মতোই পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যাবহার করি সেটা আমি স্বীকার করছি, তবে আমার লেখাগুলি আমি পাইরেসি মুক্ত রাখতে চাই। তাই লিঙ্ক দিচ্ছিনা। কিন্তু লিঙ্ক পাওয়া একেবারেই কঠিন হবেনা, গুগল সার্চ আছে না?
Studio 12 এর কোনো লিংক পেলামনা!
Pinnacle Studio 12-এর ডাউনলোড লিংক http://thepiratebay.org/torrent/4692164/Pinnacle_Studio_12.1.3___Bonuses___All_Pemium_Packs
আগে আমার মনে হত যে মেয়েদের ছেলেদের চেয়ে কম্পিউটার শিখার বিষয়ে আগ্রহ খুব কম কিন্তু রিয়া আপাকে দেখে সে ভুল দারনা আজ ভেঙ্গে গেল আমারও আগে খুব ইচ্ছা ছিল কম্পিউটার শিখব আর আজ আমি কম্পিউটারের অনেক কিছু জানি তবে পুরুপুরি নয় তাই রিয়া আপা আপনি যদি কিছু মনে না করেন তবে আমার জিমেইল টকে এড করতে পারেন। জিমেইল টকে আমার সাথে টেকটিউনসের অনেক সদস্য রয়েছে। আমার জিমেইল আইডি হচ্চে mdshion@gmail.com । আমি আপনাকে আমার জিমেইল টকে এড করতে এজন্য বলছি কারণ কম্পিউটারের কোন সমস্যায় হয়ত আমি আপাকে সাহয্য করতে পারব আর এর থেকে আপনি কিছু শিখতে পারবেন।
আমি কিছু মনে করছিনা, তবে আমার MSN/Yahoo/GTalk ইত্যাদি মেসেঞ্জার ব্যাবহার করাই হয়না। সমস্যা হলে এইখানেই নাহয় জিজ্ঞেস করে নেবো? কতো জ্ঞানী টিউনার আছেন এখানে, সেটাই ভালো হয় না? সত্যি বলছি, চ্যাট করতে বড় বিরক্ত ও আলস্য লাগে আজকাল, তাছাড়া সময়ই পাইনা। আমাকে অনেক জায়গায় লেখালেখি করতে হয়। সব একসাথে পেরে উঠছি না।
আমিও MSN/Yahoo/GTalk ইত্যাদি মেসেঞ্জার একেবারেই ব্যাবহার করি না বা বলা চলে অযথা চ্যাটিং পছন্দ করি না। আর চ্যাটিং বা মেইল না করে টিউনে কমেন্ট করলে ভালো হয় তাতে একটা জিনিস সবাই যেমন জানতে পারে আবার ওই একই জিনিস অন্যরা জানার জন্য বারবার মেইল করবে না। তাই আমার মতে মেইল বা চ্যাট না করে টিউনে জিজ্ঞাসা করা উচিৎ।
Pinnacle Studio 14 HD Ultimate + Collection (Full Version) -এর ডাউনলোড লিংক http://www.h33t.com/details.php?id=69481c8ccf3d2d21226daec62184c7a670135ea6
Pinnacle Studio download korta – BitTorrent – software setup thaka lagbay ..ok