কোন নতুন ইউজারের জন্য অথবা যখন কোন সিস্টেমকে সম্প্রসারণ করার প্রয়োজন পড়ে, তখন নতুন হার্ডওয়্যার অথবা সফটওয়্যার কেনার প্রযোজন পড়ে। আপনি ইচ্ছা করলে অনেক সিস্টেম হাতের কাছেই পাবেন, তবে সিদ্ধান্ত নেয়াটা কঠিনই হবে যখন আপনি জানতে পারবেন যে আরো কম দামি এবং উন্নত মানের সফটওয়্যার তৈরী হচ্ছে। মনে রাখবেন, একটি সিস্টেম শুধুমাত্র কম্পিউটার বুঝায় না; এর সঙ্গে প্রিন্টারও যোগ হতে পারে, যা কিনা ব্যয়বহুল। হার্ডওয়্যারের কথা বলতে গেলে বলতে হয় যে সফটওয়্যার ছাড়া এর কোন মূল্যই নেই। কিছু কম্পিউটারের সফটওয়্যার লিমিটেশন খুব কম পরিমাণে থাকে; সুতরাং সফটওয়্যার-এর সহজলভ্যতা চেক করা জরুরী।
নিম্নে একটি গাইডলাইন দেয়া হল যেখান থেকে আপনি আপনার পছন্দসই কম্পিউটার কিনতে পারবেন: -
- প্রথমেই আপনাকে আপনার বাজেট ঠিক করতে হবে, সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ পর্যন্ত।
- এরপর আপনাকে দেখতে হবে কোন্ কোন্ সিস্টেম আপনার বাজেটের ভেতর পড়ছে, বাকিগুলো মুছে ফেলতে হবে।
- এবার আপনাকে কম্পিউটার কেনার কারণগুলো লিখতে হবে।
- এবারে দেখতে হবে কোন কোন সফটওয়্যার আপনার চাহিদার ভেতর পড়ছে (আপনার লিখিত কারণ অনুযায়ী)। বি.দ্র.: খুব কম হার্ডওয়্যার বিক্রেতা সফটওয়্যার সরবরাহ করে থাকে।
- এবারে দেখতে হবে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার অনুযায়ী কোন সিস্টেম আপনার চাহিদার ভেতর পড়ছে।
- এবারে নিশ্চয় আপনার সামনে আপনার সিস্টেম এবং সফটওয়্যার-এর ছোটখাট তালিকা তৈরী হয়ে থাকবে।
- এবার ভেবে দেখতে হবে কীভাবে আপনি আপনার তালিকা অনুযায়ী সিস্টেম কিনতে পারবেন। বিশ্বস্ত সরবরাহকারীর অধীনে সরবরাহের দিন-তারিখ ঠিক করতে হবে। পাশাপাশি গ্যারান্টি এবং বিক্রোয়ত্তর কী কী সুবিধা আপনি পাচ্ছেন সেগুলো নিশ্চিত করতে হবে। সবচেয়ে ভাল হবে পূর্ব-পরিচিত এবং বিশ্বস্ত কোন কম্পিউটার বিক্রেতার কাছ থেকে কেনা। দ্বিতীয়ত, কোন দোকান থেকে কেনা; এবং সবশেষে মেইল-অর্ডার।
- মেশিন চালিয়ে টেষ্ট করুন এবং ম্যানুয়াল পড়ুন। পাশাপাশি অথবা এলাকাভিত্তিক কোন ইউজার-গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
- নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন।



এলাকাভিক্তিক ইউজার গ্রুপটা কী?
এলাকাভিত্তিক ইউজার-গ্রুপ আমাদের দেশে খুব একটা পরিচিত না। তবে আমেরিকা-ইউরোপে এর বেশ প্রচলন রয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে যে, নির্দিষ্ট এলাকার ভেতর এক বা একাধিক ইউজার মিলে যে গ্রুপ তৈরী করা হয়, তাকেই এলাকাভিত্তিক ইউজার-গ্রুপ বলা হয়।