মহাবিশ্বে ভালো-খারাপ বলে কিছু নেই। মহা বিশ্বের জন্য লজিক্যাল বা ইলজিক্যাল বলেও কিছু নেই। আসলে মহাবিশ্বে ভালো-খারাপ বলতে একই জিনিষকে বুঝায়। আসলে আমাদের ক্ষুদ্র মস্তিস্কে ভালো-খারাপ পর্যন্ত বুঝার ক্ষমতা আছে এবং আমরা তাই সেটাকে আলাদা করি। প্রকৃত পক্ষে দু’টি একই অনুভূতি বা স্বত্ত্বা। তাহলে কথা হলো বাকী জিনিষ গুলো কি বা আর কি অনুভূতি বা অস্তিত্ত্ব আছে। আমার দৃষ্টিতে মহাবিশ্বে প্রথমত লজিক্যাল এবং ইলজিক্যালের অস্তিত্ত্ব আছে। আর আরেকটি হলো কাল্পনিক। গণিত দিয়ে ব্যাপারটা বুঝানো যাক।
৯=৯ অথবা ০=০ হচ্ছে লজিক্যাল
√ -১ হচ্ছে কাল্পনিক
তাহলে কথা হলো ইলজিক কি? ইলজিক্যাল হচ্ছে যার অস্তিত্ত্ব আছে কিন্তু আমাদের ধারনার বাইরে বা আমরা সেটা চিন্তার চেষ্টা করি না। গানিতিকভাবে যা হচ্ছে।
± ৯ = ০ ইলজিক্যাল
+ ৯ = ০ ইলজিক্যালি লজিক্যাল
- ৯ = ০ ইলজিকালি ইলজিক্যাল
আসলে ১,২,৩, ইত্যাদি হচ্ছে আমাদের কল্পনা শক্তি ও বাস্তবতার মিশ্রনের কিছু অস্তিত্ত্ব । আর হচ্ছে ইলজিক, যার উদাহরন হচ্ছে অসীম , যা আমাদের জন্য কল্পনার বাইরে।
প্রকৃতি পক্ষে এ গুলো হচ্ছে আমাদের চিন্তা ধারার পরিবর্তন। এখন থেকে ১০০ বছর পর হয়তো আমরা এসব কিছু ব্যাখ্যা করবো আরো সূক্ষ্ণ ভাবে।


খুবই জটিল একটা বিষয় । বুঝার চেস্টা করলাম । তবে মোটকথায় সাইটা চমৎকার লাগল
হক কথা। তাই লজিকের বিষয়টা পুরোপুরি আপেক্ষিক। বিশাল সৃষ্টিজগতের মানুষ কতটুকু জানে? সেই স্বল্প জানার থেকে মানুষ কিছু যতসামান্য লজিক খাড়া করবার কোশেশ করেছে।
একটু অন্যভাবে চিন্তা করি তবে এটা ইলেক্ট্রনিক্স এর ভাষায়। যদি এমন একটা মাক্স ইউজ করি (ধরা যাক 8 বিটের) তাহলে দেখা যাবে সে শুধু দুটো কারেন্ট লেভেল ডিটেক্ট বা পাস করছে সেটা হলো +5 ভোল্ট আরেকটা -5 ভোল্ট। থলে [----]ারি সিস্টেমে এটাকে রিপ্রেজেন্ট করা হবে -5 কে 0 এবং +5 কে 1। তবে এখানে পোলারিটিটা অবশ্য গ্রাউন্ডের সাপেক্ষে ডিজাইন করা হবে। আবার যদি এ্যানালগ সার্কিটের সাথে তুলনা করি বা টোটাল পারসপেক্টিভকে আমি এয়ানালগ সিস্টেমে ডিজাইম করি তাহলে এমন কোন ভোল্টেজ লেভেল যেটা মূলত +5 এর চেয়ে কম বা -5 এর চেয়ে বেশী তাহলে সেটাকে ও ওমিট করে ফেলবে, এভাবেও মাক্স/ডিমাক্স ডিজাইন করা যায়। আর মহাবিশ্বেও এখন এ্যাবসলুউট শূন্য বলতে কিছু নেই বলেই সবাই ধরনা করে। একসময় বলা হতো ব্লাক হোল এ্যাবসলিউট আধার, কিন্তু হকিং রেডিয়েশন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় ব্লাক হোল কিন্তু আসলেই অতটা ব্লাক নয়। ইদানিং হোয়াইট হোল নিয়েও অনেকে কথা বলছে যেটার মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে ব্লাক হোল আসলেই অতটা অসুন্দরও নয়!
মানুষ জাতি এক সময় থিওরীতে অনেক ধারনা নিয়ে গোয়ার গোবিন্দের মতো চলতে থাকে। পরে বাস্তব থেকে সে যখনই ক্ষুদ্র জ্ঞান নিয়ে তার অভিজ্ঞতার ভান্ডার পূর্ন করে, তখন সেই গোয়ার গোবিন্দের বেসিক ধারনা পাল্টাতে থাকে। তাই এ্যাবসলিউট ধরনা সম্পর্কে এখানে যা বলা হয়েছে সেটা আসলে সনাতনী!