টিনটিন
মানুষ হিসেবে তেমন আহামরি কেউ নই আমি। সাটামাটা জীবনটাই বেশী ভালো লাগে। আবার মাঝে মাঝে একটু আউলা হতে মন চায়। ভালো লাগে নিজেকে টিনটিন ভাবতে .... তার মত দুঃসাহসী হতে মন চায় ..... কিন্তু ব্যক্তি জীবনে অনেকটা ভীতুই বটে ..... অনেক কিছুই হাতছাড়া হয়ে গেছে জীবনে এই কারনে ..... আবার অনেক বড় বড় পাওয়া ও আছে ....টেকটিউনস ফ্যামিলির একজন হওয়া সেই বড় পাওয়ার একটি। স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ন আবার সত্যি হলে হুশ জ্ঞান থাকেনা। যেমনটি হয়েছিল ছেলেবেলায় চিত্রাঙ্কন প্রোতিজোগীতায় জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর। ভালো লাগে আড্ডা দিতে, হোক না সেটা অনলাইন অথবা রিয়েল লাইফ! সবসময় অপেক্ষায় থাকি সম্ভাবনাময় আগামীর ......... sohanboy_13@yahoo.com

কৃত্রিম ঘুর্নিঝড় প্রজেক্ট - বিদ্যুৎ উৎপাদনের ভবিষ্যত প্রযুক্তি

ঘুর্নিঝড়ের কথা শুনলেই আর কারোর কিছুর না হোক আমরা বাঙালীরা একটু আঁৎকে ই উঠি বটে। এবং এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশের বর্তমান অবস্থায় যেখানে দ্রবমুল্য যেন লাগাম ছাড়া ঘোড়া সেখানে একটি ঘুর্নিঝড় আমাদের আপাত সুখটুকু ও এলোমেলো করে দিতে পারে।শুধু আমার দেশ বলেই নয় পৃথিবীর বড় বড় দেশ, প্রযুক্তি যাদের ডাল ভাত হয়ে গিয়ছে তাদের ও মাঝে মাঝে ভালোই নাস্তা নাবুদ করে ঘুর্নিঝড়। এই ঘুর্নিঝড় কে কেউই নিজেদের বন্ধু হিসেবে পেতে চাইবে না।

কিন্তু কানাডিয়ান ইজ্ঞিনিয়ার লুইস মিকাওড এর দৃড় বিস্বাস ঘুর্নিঝড় কে ও সে একদিন মানুষের উপকারে ব্যবহার করতে সমর্থ হবেন।

whirl-715604 কৃত্রিম ঘুর্নিঝড় প্রজেক্ট - বিদ্যুৎ উৎপাদনের ভবিষ্যত প্রযুক্তি

লুইস একজন অবসরপ্রাপ্ত পেট্রোলিয়াম ইজ্ঞিনিয়ার যিনি কনভনেশনাল পাওয়ারপ্ল্যান্টের অপচয় হয়ে যাওয়া তাপ কে কাজে লাগিয়ে একটি এ্যামসফিরিক ভর্টেক্স ইজ্ঞিন বানানোর প্রস্তাব করেছেন। এটি ই হবে ছোটখাটো একটি ঘুর্নিঝড় (নিয়ন্ত্রিত) যা টার্বাইনের ঘুর্ণনে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাহায্য করবে।

তার মতে ” আমি এই ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত যে আমরা কোন এক সময় এই ঘুর্নিঝড় কে নিয়ন্ত্রন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হব। এবং সোলার পাওয়ারের তাপ থেকে সোলার জেনারেটেড ঘুর্নিঝড় তৈরী করা সম্ভব হবে।”

এই প্রকল্প বাস্তবায়নে তার সর্বশেষ ডিজাইনটি হল ২০০X১০০ মিটারের একটি ছাদ বিহীন একটি গোলাকার ওয়াল। ওয়েষ্ট হিট বহনকারী বাতাস কে যখন এর ভেতর দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত করা হবে তখন এই গোলাকার দেয়ালের গা ঘেষে সেই বাতাস যখন প্রবল বেগে ঘুরতে থাকবে তখন তা একটি আসল ঘুর্নিঝড়ের রুপ নেবে।

whirl-711636 কৃত্রিম ঘুর্নিঝড় প্রজেক্ট - বিদ্যুৎ উৎপাদনের ভবিষ্যত প্রযুক্তি

মিকাওডের হিসাব অনুযায়ী এই ঘুর্নিঝড় সাইজ হবে 50 মিটার (ডায়ামিটার) এবং এটি ৫০ থেকে ৫০০ মেগা ওয়াটবিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে।

১৯৭৫ সালে তার মাথায় প্রথম এই আইডিয়া আসে এবং সদিন থেকে সে এই প্রযেক্টের সাথে জড়িত।

এই প্রজেক্ট সফল হোক বা না হোক আমি এই মহৎ উদ্যোগের জন্য টেকটিউনারদের পক্ষ থেকে এই ভদ্রলোক এবং তার সকল সহকারীদের ধন্যবাদ জানাই এবং দোয়া করি যেন তারা এই প্রজেক্টকে বাস্তবে রুপ দিয়ে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জীবনকে আরো স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে।

টিউনার বন্ধুরা……..আপনাদের কার কি মতামত বা আইডিয়া আছে এই প্রজেক্টের ব্যাপারে? আসুন আমরা শেয়ার করি ………..



মোট 2 টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. আমিনুল ইসলাম সজীব

    আপনার পোস্টের প্রথম অংশটা বুঝলাম না। ওটা কি ভুলে ইংরেজী এসে গেছে? নাকি?

  2. টিনটিন

    হুম, শুধরে দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য দিন