করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবলিটি’র অংশ হিসাবে নদী তীরবর্তী মানুষের জীবিকা অর্জনের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে গ্রামীণফোন ‘তথ্য তরী’ নামের একটি প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে। এ কারণে তারা দেশের অনতম এনজিও কেয়ার বাংলাদেশ-এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তারা। গ্রামীণফোনের হেড অব সিএসআর (কর্পোরেট সোসাল রেসপন্সিবিলিটি) শুভাশিষ পি বড়–য়া এবং কেয়ার বাংলাদেশ-এর ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসান এম মজুমদার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছেন ইতোমধ্যেই। এ চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে বেসরকারী খাতের সহযোগিতায় জনগণের কাছে নতুন প্রযুক্তি-বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দেয়া।
গ্রামীণফোন কর্মকর্তাদের মতে, পরিকল্পিত তথ্য তরী পল্লী অঞ্চল বিশেষ করে চর ও হাওর অঞ্চলের জনগণের জন্য তথ্য ভান্ডার হিসাবে কাজ করবে। তারা বলছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবিকা এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে তথ্য লাভের সুযোগ খুবই কম। নৌকাগুলোতে ওই সকল অঞ্চলের উপযোগী জীবিকা ও কৃষি সংক্রান্ত ডিজিটাল কনটেন্ট থাকবে। তাছাড়া কেয়ার বাংলাদেশের প্রশিক্ষকরা জনগণকে বিভিন্ন ধরনের জীবিকা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেবেন।
তারা জানান, গ্রামীণফোন চারটি তথ্য তরী নির্মাণে সহায়তা দেবে এবং নৌকাগুলোতে তথ্য পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। একেকটি তথ্য তরীতে থাকবে কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ ও ই-মেইল সুবিধা, ফটোকপিয়ার, ফ্যাক্স মেশিন, প্রিন্টার, টেলিভিশন, স্ক্যানার এবং স্থানীয় জনগণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে আরো কিছু প্রযুক্তি। তবে এগুলোর নিরাপত্তার বিষয়টি এখনও প্রশ্নের মুখে রয়েছে বলে উদ্যোক্তরা ভাবছেন।



আপনার মন্তব্য দিন